ফুটেছে সূর্যমুখী। সূর্য যখন যেদিকে হেলেছে, সূর্যমুখী ফুলও সেদিকে হেলে পড়ছে। সবুজের মধ্যে হলুদ ফুলগুলো অপরূপ সৌন্দর্যের উৎস হয়ে দাঁড়িয়ে। এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে প্রজাপতি যেমন ফুটে আসছে তেমনি প্রকৃতিপ্রেমীরা আসছেন দল বেঁধে। ফুলের সৌন্দর্য দেখতে ও ছবি তুলতে আসছেন তারা।
খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রায় প্রথমবারের মতো নতুন জাতের বারি-৩ সূর্যমুখী ফুলের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে সঙ্গে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখেও। সূর্যমুখীর চাষ করে সফল হয়েছে কৃষি বিভাগ। সবুজের মাঠজুড়ে সূর্যমুখীর মায়াবী হাসি আর এটি চাষে লাভজনক হওয়ায় এ উপজেলায় সূর্যমুখী চাষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দুই নম্বর কয়রার কৃষক কামরুজ্জামান টুকু বাংলানিউজকে বলেন, ‘সরেজমিন গবেষণা
বিভাগের সহযোগিতায় ১ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফুল দেখতে প্রতিদিন
দূর-দূরান্ত থেকে লোক আসছে। আশা করছি, সূর্যমুখী চাষে লাভবান হবো। ’
তিন নম্বর কয়রার কৃষক রবীন্দ্রনাথ ঢালীর স্ত্রী তৃষ্ণা ঢালী বলেন,
‘সূর্যমুখী ফুল খুব সুন্দর হয়েছে। বড় বড় ফুল ফুটেছে। প্রতিদিন যা দেখতে
মানুষ আসছে। ’


0 coment rios: