মহামারির আগে গত বছর প্রতি পাউন্ড তুলার দাম ছিলো ৫৮ থেকে ৬০ সেন্ট। বর্তমানে সেই তুলার দাম ১ ডলার ২০ সেন্ট। পোশাকের প্রধান কাঁচামাল তুলার দাম বৃদ্ধির ফলে রপ্তানির পাশাপাশি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে স্থানীয় তৈরি পোশাক উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের ওপর।
তুলার দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি দরে কাপড় কিনতে হলেও করোনাসহ সার্বিক পরিস্থিতির কারণে ক্রেতার চাহিদা কমে গেছে। ফলে, নতুন করে চাপে পড়েছেন স্থানীয় পোশাক উদ্যোক্তারা।
রপ্তানি খাতে, তুলার দাম বৃদ্ধির কারণে কাপড়ের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, ফ্রেইট খরচ বৃদ্ধির সাথে চালান পাঠাতে দেরি হওয়ায় টিকে থাকার জন্য রপ্তানিকারকরা মূল্য নিয়ে সমঝোতা করতে বাধ্য হচ্ছেন।
টেক্সটাইল খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী বছর তুলার উৎপাদন কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে, খুব শীঘ্রই কাঁচামালের দাম কমার সম্ভাবনা নেই। বরং, তা আরও বাড়তে পারে।
রাজধানীর ইসলামপুর এবং কেরানীগঞ্জ থেকে কাপড় কিনে মিরপুর-১ এর শাহ আলী কলেজ মার্কেটে নিজের ছোট কারখানায় ডেনিম প্যান্ট তৈরি করে পাইকারি হিসেবে বিক্রি করেন সুমন দাশ।


0 coment rios: